বিমসটেক মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল গঠনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন চায় বাংলাদেশ

প্রথম পাতা » অর্থনীতি » বিমসটেক মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল গঠনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন চায় বাংলাদেশ
বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫



বিমসটেক মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল গঠনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন চায় বাংলাদেশ

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে শুরু হয়েছে ৬ষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলন। প্রথম দিন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়; এতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দীন নেতৃত্ব দেন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের। এ সময় জসিম উদ্দীন বিমসটেক মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল গঠনের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিসহ ৬টি বিষয় চূড়ান্তের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন চান। সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্যায়ে যোগ দেবেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সেখানে ইয়াং ফোরাম আয়োজিত সেশনে গুরুত্বপূর্ণ বক্তা হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করবেন তিনি।

২০২২ সালে পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলনের তিন বছর পর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে শুরু হলো বিমসটেকের ৬ষ্ঠ সম্মেলন। দক্ষিণ এশিয়ার ৫টি আর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ২টি দেশ নিয়ে আঞ্চলিক এই জোটের এবারের প্রতিপাদ্য, সমৃদ্ধ, প্রাণবন্ত, উন্মুক্ত বিমসটেক।

এবারের সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় ৬টি। যার মধ্যে অন্যতম ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনের ঘোষণাপত্র গ্রহণ, ব্যাংকক ভিশন-২০৩০, সামুদ্রিক পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত গ্রহণ।

ব্যাংককের স্থানীয় সময় বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ২৫তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে কথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দীন। বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গঠনের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিসহ ৬টি বিষয় চূড়ান্তের জন্য সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন চান তিনি।

আগামী শুক্রবারে (৪ এপ্রিল) হবে সদস্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। যেখানে অংশ নেবেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে মিয়ানমানের সামরিক জান্তা প্রধান অংশ নেবেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।

সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশ-ভারতের দুই নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। তবে অর্থনীতিবিদ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউনূস-মোদির সাইডলাইন বৈঠক হলে দু’দেশের টানাপোড়েন নিরসনে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এ বৈঠক হলে তা দেশের জন্য হতে পারে ইতিবাচক।

অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি সাইডলাইন বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা চালাতে হবে। যাতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. সাহাব এনাম খান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে চলমান সম্পর্কের টানাপড়েন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান হবে।

উল্লেখ্য, এবারের সম্মেলন থেকে পরের দুই বছরের জন্য জোটের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৪৮:৫০   ৭ বার পঠিত  




অর্থনীতি’র আরও খবর


বিমসটেক মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল গঠনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন চায় বাংলাদেশ
বাংলাবান্ধা দিয়ে নেপালে গেল আরো ১০৫ মেট্রিক টন আলু
পাচার হওয়া কয়েকশ কোটি ডলার এ বছরই ফিরিয়ে আনা সম্ভব : অর্থ উপদেষ্টা
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, মার্চের ৮ দিনেই এলো ৮১ কোটি ডলার
রমজানের প্রয়োজনীয় পণ্যের সমস্যা সাতদিনের মধ্যে সমাধান হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা



আর্কাইভ