‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন’ গানে বেঁচে থাকবেন পাপিয়া সারোয়ার

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারি » ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন’ গানে বেঁচে থাকবেন পাপিয়া সারোয়ার
বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪



‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন’ গানে বেঁচে থাকবেন পাপিয়া সারোয়ার

কালজয়ী গান ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গেয়ে অজস্র শ্রোতার মন জয় করেন পাপিয়া সারোয়ার। রুপালি জগতে সবার মুখে মুখে ছিল গানটি। এখনও সমান জনপ্রিয়তা রয়েছে কালজয়ী এ গানের। এই গানের মাধ্যমে অল্প সময়ে পরিচিতি পাওয়া শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার মারা গেছেন বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী পাপিয়া সারোয়ারের মৃত্যুর খবরটি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী সারওয়ার আলম। তিনি জানান, প্রয়াতের মরদেহ আজ বারডেমের হিমঘরে রাখা হবে। আগামীকাল শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

পাপিয়া সারোয়ার কয়েক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছিলেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।

পাপিয়া সারোয়ার ১৯৭৩ সালে ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতে পড়াশোনা করেছেন। তার আগে তিনি ১৯৬৬ সালে ছায়ানটে ওয়াহিদুল হক, সনজীদা খাতুন ও জাহেদুর রহিমের কাছে এবং পরবর্তী সময়ে বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে সংগীতদীক্ষা নেন।

১৯৯৬ সালে তিনি ‘গীতসুধা’ নামে একটি গানের দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার অসংখ্য অ্যালবাম রয়েছে। আধুনিক গানেও রয়েছে তার সাফল্য। ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানটি দিয়ে তিনি অসংখ্য ভক্তের হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন। ১৯৭৮ সালে সারোয়ার আলমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন’ গানটির কথা ও সুর করেন মনিরুজ্জামান মনির। প্রথম গানটিতে কণ্ঠ দেন রুনা লায়লা। আর পাপিয়া সারোয়ার সাউন্টেকের ব্যানারে গানটি গান। তবে এই গানের মাধ্যমেই তিনি অধিক পরিচিত হয়ে ওঠেন।

বাংলাদেশ সময়: ১২:৫৩:১৩   ২৩ বার পঠিত  




ছবি গ্যালারি’র আরও খবর


জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি প্রস্তুত: গিয়াসউদ্দিন
অপরাধীদের ধরতে চাষাড়ায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন
বিমসটেকের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও মেডিকেল সহায়তা প্রদান
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব সময় আন্তরিক সরকার : সুপ্রদীপ চাকমা



আর্কাইভ